cropped-ARFA-removebg-preview.png

সজনে পাতার গুড়া কেন খাবেন?

Untitled design

আপনার ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ সময় খাবার তালিকা পরিবর্তন করে পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে সজনে পাতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সজনে গাছের পাতা পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজনে পাতাকে বলে থাকেন, নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজনে গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি। এটি শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে করে পূর্বের থেকেও বেশি স্বাস্থ্যকর।

কোন কোন রোগের প্রতিকার হয়?

কোষ্ঠকাঠিন্য

পেটের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সজনে পাতা অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন এক গ্লাস সজিনা পাতার জুস দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিবে। এতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল যা খাবার পরিপাক হতে সহায়তা করে।

গ্যাস্ট্রিক

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় সজনে পাতা। প্রতিদিন এক গ্লাস সজনে পাতার জুস গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি দিতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে পেট ব্যাথা করে, বুক জ্বলে, পেট ফুলে উঠে ও খাবার রুচি কমে যায়। ইনশাআল্লাহ ,সজনে পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়া ছাড়া ও বদহজম ও দূর করে।

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে ডায়াবেটিস এমন একটা রোগ যা একবার হলে এ থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব না।তবে সজনে পাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

ওজন কমায়

সজিনা পাতা ওজন কমাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে। তবে ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ওজন কমাতে সাহায্য করে, স্কিন ভালো রাখে অর্থাৎ শরীরের প্রত্যেকটি জায়গায় খুব ভালো কাজ করে সজিনা পাতা।

যৌবন ধরে রাখে

সজিনা পাতায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন ও ফাইবার যা যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করে। শরীরে যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয় সজনে পাতার গুড়া ও সজনে ডাটা সেই ঘাটতি পূরণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হার্ট সুস্থ রাখে

সাধারণ মানুষের চেয়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে হলে ডায়াবেটিস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রতিদিন এক গ্লাস সজনে পাতার জুস খেতে পারেন। বেশি না15 থেকে 20 দিন সজনে পাতার জুস খেলে অনেক ভালো ফল পাবেন।

লিভারকে সুস্থ রাখে

লিভার মানুষের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেখানে শরীরের নানাবিধ জৈব রাসায়নিক কার্যক্রম ঘটে থাকে। আমরা প্রতিনিয়ত যে সমস্ত ওষুধ খেয়ে থাকি তার বেশিরভাগই লিভার ও কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে থাকে। বিশেষত টিউবারকুলোসিস বা টিবি (Tuberculosis) রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য নির্দেশিত anti-tubercular ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় লিভারের কোষ মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর সাজনা পাতা লিভারের এই ক্ষতিগ্রস্ততা কমানোর মাধ্যমে লিভারকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

হাড় ও দাঁতের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে

সাজনা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে যা দাঁত ও হাড়ের গঠনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। দৈনিক একজন মানুষের শরীরে যে পরিমাণ এই উপাদানগুলো প্রয়োজন পড়ে তার ১৯ শতাংশ ক্যালসিয়াম এবং ১৬ শতাংশ ফসফরাস ১০০ গ্রাম সাজনা পাতা থেকে পাওয়া সম্ভব হয়। আর তাই যারা নিরামিষাশী ব্যক্তি অর্থাৎ প্রাণিজ আমিষ জাতীয় খাবার বর্জন করে চলেন তাঁদের জন্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উৎস হিসেবে সাজনা পাতা একটি ভালো খাবার হতে পারে।

রক্তে কোলেস্টেরল কমায়

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা LDL (low density Lipoprotein) বেড়ে যাওয়ার সাথে হার্টের রোগ যেমন উচ্চ রক্তচাপ, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়তে থাকে। উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন খাবার যেমন কাঠবাদাম, তিসি, অ্যাভোকাডো ইত্যাদির মতো সাজনা পাতাও রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন সময়ে প্রাণি ও মানুষের উপর আলাদা আলাদাভাবে নানাবিধ গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যে সাজনা পাতার মধ্যে খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর সক্ষমতা রয়েছে।

আর্সেনিক পয়জনিং কমায়

আমাদের দেশের অনেক জায়গায় নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় যা একপ্রকার বিষ। দীর্ঘদিন যাবত মানুষের শরীরে আর্সেনিক প্রবেশ করতে থাকলে তা একসময়ে বিষক্রিয়ার (Arsenic toxicity) সৃষ্টি করে থাকে এমনকি তা বিভিন্ন জটিল রোগ যেমন হার্টের রোগ এবং ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইঁদুরের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে যে সাজনা পাতা ও সাজনার বীজে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আর্সেনিক বিষক্রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে। তবে এই ব্যাপারে একদম নিশ্চিত হওয়ার জন্য মানুষের উপর গবেষণা করা প্রয়োজন।

প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে

আমাদের দেশে দরিদ্র পরিবারগুলোতে ছেলেমেয়েরা প্রোটিনের অভাবে ভোগে যার ফলে তাদের শরীরে যথাযথ বৃদ্ধি হয় না। এর কারণ হলো প্রোটিনের প্রধান উৎস মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি বেশ ব্যয়বহুল যা সবার পক্ষে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেনা সম্ভব হয় না। আবার শাকসবজি ও ফলমূল থেকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া গেলেও তা থেকে খুব বেশি প্রোটিন পাওয়া যায় না। তবে সাজনা পাতার মধ্যে ১৮ ধরনের এমিনো এসিড রয়েছে যা প্রোটিন গঠনের মূল উপাদান। সেই সাথে সাজনা পাতা খুবই সহজলভ্য একটি খাবার। আর তাই প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হিসেবে সাজনা পাতা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রদাহ নাশক হিসেবে কাজ করে

সাজনা পাতার মধ্যে Quercetin এবং Chlorogenic acid নামক দুইটি বিশেষ উপাদান রয়েছে যা শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন ১ চা চামচ (৭ গ্রাম পরিমাণ) সাজনা পাতার গুঁড়া ৩ মাস পর্যন্ত খাওয়ার ফলে শরীরে এন্টি অক্সিডেন্ট এর মাত্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল এর সংখ্যা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। আর ফ্রি রেডিক্যাল বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রদাহ (Inflammation) হয় এবং হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। সেই সাথে এন্টি অক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন এবং প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এর উপস্থিতি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া মানেই সহজেই রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

সজনে গুড়ায় কি কি উপাদান থাকে?

কেন আমাদের থেকে নিবেন?

সোর্সিং

গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা শতভাগ ন্যাচারাল সজিনা পাতা নিজেদের তত্বাবধানে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে রোদে শুকিয়ে গুড়া করা হয়।

ক্যাশ অন ডেলিভারি

প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে, দেখে, কোয়ালিটি চেক করে পেমেন্টে করার সুবিধা ।

হোম ডেলিভারি

সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে হোম ডেলিভারি পাবেন ।

অগ্রিম পেমেন্ট

অগ্রীম এক টাকাও দিতে হবে না। ডেলিভারি ম্যান এর কাছ থেকে প্রোডাক্ট বুঝে পেয়ে তারপর টাকা দিবেন।

সহজ রিটার্ন

প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে সাথে সাথে রিটার্ন দিতে পারবেন ।

যোগাযোগ

যে কোন সময় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন ।

কিছু জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন: কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কি??

উত্তর: না কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

প্রশ্ন: অগ্রিম কোন টাকা দিতে হবে??

উত্তর: না, অগ্রিম কোন টাকা দিতে হবে না। পন্য হাতে পেয়ে চেক করে তারপর টাকা পরিশোধ করতে হবে।

প্রশ্ন: সজনে পাতার গুড়ো খাওয়ার নিয়ম কি??

উত্তর: প্রতিদিন খালি পেটে ১ চা চামচ সজনে পাতার গুড়ো এক গ্রাল্স পানিতে দিতে সাথে সামান্য পরিমান হিমালয়ান পিংক সল্ট মিছিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া আপনি ভর্তা,তরকারি সাথে,মাছের ঝোল এর সাথে, ডাল এর সাথে বিভিন্ন ভাবে খেতে পারেন।

প্রশ্ন : কিভাবে পেতে পারি??

উত্তর: সারা বাংলাদেশ আমরা হোম ডেলিভারি করে থাকি।

প্রশ্ন: সজনে পাতার গুড়ো কত দিন খেতে হবে??

উত্তর: নিয়মিত খেতে পারলে ভালো রোগ প্রতিরোধ করবে। আপনি সংগ্রহ করতে পারলে ভালো, নয় আমার থেকেও নিতে পারেন।

প্রশ্ন: পাতা কি আপনারা সংগ্রহ করে রাখেন??

উত্তর: না অর্ডার হলে ১ বা ২ দিন রোদে শুকিয়ে ফ্রেশ পাতার গুড়ো সরবরাহ করে থাকি।

আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন, নাম্বার লিখে কনফার্ম করুন বাটন এ ক্লিক করুন।

বিলিং তথ্য

আপনার অর্ডার

Product Subtotal
সজনে পাতার গুড়া 500 gm  × 1 ৳ 890.00
Subtotal ৳ 890.00
Shipping
Total ৳ 890.00
  • প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে পেমেন্ট করবেন।

Your personal data will be used to process your order, support your experience throughout this website, and for other purposes described in our privacy policy.

©All Rights Reserved Arfa Bazar

Designed by Bright Hive Digital